এনটিআরসিএ শিক্ষক পদে সুপারিশ ২০২৬ নিয়ে শিক্ষাপ্রত্যাশীদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী শিক্ষক ও এমপিওভুক্ত পদে নিয়োগ সুপারিশের পদ্ধতি হালনাগাদ করেছে। এই নতুন ব্যবস্থার খসড়া পরিপত্র ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন মিললেই ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে বলে জানা গেছে।
বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ সময়ের বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে এই পরিপত্রের খসড়া চূড়ান্ত করেছে। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, দ্রুততা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। ফলে এনটিআরসিএ শিক্ষক পদে সুপারিশ ২০২৬ প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু কাঠামোগত পরিবর্তন আসতে পারে।
এনটিআরসিএ শিক্ষক পদে সুপারিশ ২০২৬
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি জারি করা শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত অনুসরণীয় পদ্ধতি নতুন করে সংশোধন করা হয়েছে। এই সংশোধন করা হয়েছে সর্বশেষ জনবল কাঠামো, এমপিও নীতিমালা এবং বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন, প্রত্যয়ন ও নিয়োগ সুপারিশ বিধিমালা ২০২৫ অনুসারে। এর ফলে শিক্ষক নিয়োগ সুপারিশের প্রতিটি ধাপ আরও নির্দিষ্ট ও সময়োপযোগী হবে।
নতুন পরিপত্র শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন পেলেই এনটিআরসিএ ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই অনুমোদন দ্রুত এলে ২০২৬ সালের মধ্যেই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। এতে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষমাণ প্রার্থীরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন।
সংশোধিত পদ্ধতিতে মেধা তালিকা প্রস্তুত, পদের বিপরীতে সুপারিশ এবং এমপিওভুক্তির ধাপগুলো আরও সমন্বিত হবে। একই সঙ্গে অনলাইন ব্যবস্থার ব্যবহার বাড়ানো হতে পারে, যাতে স্বচ্ছতা বজায় থাকে এবং অনিয়মের সুযোগ কমে।
সব মিলিয়ে এনটিআরসিএ শিক্ষক পদে সুপারিশ ২০২৬ শিক্ষাক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ আপডেট। নতুন পরিপত্র কার্যকর হলে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও গতিশীল হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।










