হিংসা নিয়ে ইসলামিক উক্তি জানা এবং তা মেনে চলা প্রতিটি মুমিনের জন্য অত্যন্ত জরুরি। হিংসা বা বিদ্বেষ মানুষের অন্তরের এমন এক ব্যাধি, যা তার সমস্ত নেক আমলকে নিমিষেই ধ্বংস করে দিতে পারে। ইসলামে হিংসাকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং একে আত্মশুদ্ধির পথে অন্যতম বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আজকের এই প্রবন্ধে আমরা কুরআন ও হাদিসের আলোকে হিংসার ভয়াবহতা এবং এ থেকে বাঁচার উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।
বলা হয়, আগুনের স্ফুলিঙ্গ যেমন শুকনো কাঠকে ভস্মীভূত করে, ঠিক তেমনি হিংসা মানুষের নেক আমলগুলোকে ধ্বংস করে দেয়। তাই হিংসা থেকে বেঁচে থাকা প্রতিটি মুসলমানের জন্য ফরজ।
হিংসা নিয়ে ইসলামিক উক্তির গুরুত্ব ও প্রাসঙ্গিকতা
বর্তমান সমাজে পারস্পরিক দ্বন্দ্ব ও অশান্তির অন্যতম মূল কারণ হলো হিংসা। হিংসা নিয়ে ইসলামিক উক্তি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, অন্যের ভালো দেখে অন্তরে জ্বালা অনুভব করা মুমিনের বৈশিষ্ট্য হতে পারে না। রাসুলুল্লাহ (সা.) বহুবার সাহাবীদের হিংসা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। ইসলামি শরিয়তে হিংসা বা ‘হাসাদ’ হলো আল্লাহ তাআলার বন্টনের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করার নামান্তর। যখন কেউ অন্যের সুখ, সম্পদ বা সফলতা দেখে ঈর্ষান্বিত হয়, তখন সে মূলত আল্লাহর ফয়সালায় আপত্তি তোলে।
আধুনিক যুগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রসারের ফলে মানুষের মধ্যে একে অপরের প্রতি হিংসার প্রবণতা মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যের চাকচিক্যময় জীবন দেখে অনেকেই হতাশায় ভোগেন এবং হিংসায় লিপ্ত হন। এই প্রেক্ষাপটে হিংসা সম্পর্কে ইসলামের সঠিক নির্দেশনা ও সতর্কবাণী জানা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। আত্মশুদ্ধি অর্জন এবং পরকালের মুক্তির জন্য হিংসামুক্ত অন্তর গঠন করা অপরিহার্য।
হিংসা কী: ইসলামি দৃষ্টিতে হিংসার অর্থ ও বাস্তবতা
ইসলামি পরিভাষায় হিংসা বা ‘হাসাদ’ বলতে বোঝায়, অন্যের নিয়ামত বা সুখ দেখে অন্তরে জ্বালা অনুভব করা এবং সেই নিয়ামত ধ্বংস হওয়ার কামনা করা। ইমাম গাজ্জালী (রহ.) বলেন, হিংসা হলো অন্যের সুখ দেখে দুঃখিত হওয়া এবং তা নিজের জন্য কামনা করা। তবে ইসলামে ‘গিবতাহ’ বা ঈর্ষার একটি ইতিবাচক দিকও রয়েছে, যাকে হিংসা বলা চলে না। অন্যের ভালো কিছু দেখে নিজের জন্যও তা কামনা করা, কিন্তু অন্যেরটা ধ্বংস হোক তা না চাওয়া—একে গিবতাহ বলা হয়, যা ইসলামে বৈধ।
বাস্তবতা হলো, হিংসা মানুষকে অন্ধ করে দেয়। এটি শয়তানের অন্যতম হাতিয়ার। ইসলামের দৃষ্টিতে সর্বপ্রথম পাপ ছিল হিংসা, যখন ইবলিস হযরত আদম (আ.)-কে হিংসা করে সেজদা করতে অস্বীকার করেছিল। তাই হিংসা কেবল একটি মানবিক আবেগ নয়, বরং এটি একটি আধ্যাত্মিক রোগ যা ঈমানকে দুর্বল করে দেয়।
কুরআনের আলোকে হিংসা নিয়ে ইসলামিক উক্তি ও শিক্ষা
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা হিংসা ও বিদ্বেষ থেকে বাঁচার জন্য মুমিনদের বারবার সতর্ক করেছেন। হিংসা নিয়ে ইসলামিক উক্তি হিসেবে কুরআনের আয়াতগুলো আমাদের জন্য শেফার মতো কাজ করে। সুরা আল-ফালাক-এ আল্লাহ আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন হিংসুকের অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাইতে।
- সুরা আন-নিসা, আয়াত ৫৪: “নাকি তারা মানুষের প্রতি ঈর্ষান্বিত এ কারণে যে, আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদের যা দান করেছেন?” এই আয়াতে আল্লাহ স্পষ্ট করেছেন যে, মানুষের যোগ্যতা ও সম্পদ আল্লাহরই দান, তাই এতে হিংসা করার কোনো সুযোগ নেই।
- সুরা আল-ফালাক, আয়াত ৫: “এবং আমি আশ্রয় চাই হিংসুকের অনিষ্ট থেকে, যখন সে হিংসা করে।” এই আয়াতটি প্রমাণ করে যে হিংসা মানুষের পার্থিব ও আধ্যাত্মিক জীবনের জন্য কতটা ক্ষতিকর হতে পারে।
কুরআনের শিক্ষা হলো, আল্লাহর বন্টনে সন্তুষ্ট থাকা। যখনই কারো অন্তরে হিংসা জাগে, তখন তার উচিত কুরআনের এই আয়াতগুলো স্মরণ করা এবং আল্লাহর কাছে পানাহ চাওয়া।
হাদিসে হিংসা নিয়ে ইসলামিক উক্তি ও নবীজির সতর্কবাণী
রাসুলুল্লাহ (সা.) উম্মতকে হিংসার ভয়াবহ পরিণাম সম্পর্কে কঠোর ভাষায় সতর্ক করেছেন। হাদিস শরীফে হিংসা নিয়ে ইসলামিক উক্তি বা বাণীগুলো অত্যন্ত স্পষ্ট এবং শিক্ষণীয়।
- আবু দাউদ শরীফ: রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “তোমরা হিংসা থেকে বেঁচে থাকো। কেননা হিংসা নেক আমলকে এমনভাবে খেয়ে ফেলে (ধ্বংস করে), যেমন আগুন শুকনো কাঠকে জ্বালিয়ে ভস্ম করে দেয়।”
- সহিহ বুখারি ও মুসলিম: নবীজি (সা.) ইরশাদ করেছেন, “তোমরা একে অপরের প্রতি হিংসা করো না, একে অপরের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করো না এবং একে অপরের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিও না। বরং তোমরা আল্লাহর বান্দা হিসেবে ভাই ভাই হয়ে যাও।”
এই হাদিসগুলো থেকে বোঝা যায়, হিংসা কেবল ব্যক্তিগত ক্ষতিই করে না, বরং এটি মুসলিম উম্মাহর ঐক্যে ফাটল ধরায়। নবীজির (সা.) শিক্ষা অনুযায়ী, মুমিনের অন্তর হতে হবে স্বচ্ছ আয়নার মতো, যেখানে ভাইয়ের প্রতি কোনো বিদ্বেষ থাকবে না।
হিংসা নিয়ে ইসলামিক উক্তি অনুযায়ী হিংসার ভয়াবহ পরিণতি
ইসলামি স্কলারদের মতে, হিংসার পরিণতি দুনিয়া এবং আখিরাত উভয় জায়গাতেই ভয়াবহ। হিংসা নিয়ে ইসলামিক উক্তি বিশ্লেষণ করলে আমরা দেখতে পাই যে, হিংসুক ব্যক্তি কখনোই মানসিক শান্তি পায় না। সে সর্বদা অন্যের সুখ দেখে দগ্ধ হতে থাকে।
পরকালের ভয়াবহতা সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, হিংসা মানুষের ইবাদত-বন্দেগি কবুল হওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। হিংসুক ব্যক্তির দোয়া আল্লাহর দরবারে পৌঁছাতে চায় না। শবে বরাতের রাতেও মহান আল্লাহ সবাইকে ক্ষমা করে দিলেও হিংসুক ব্যক্তিকে ক্ষমা করেন না বলে হাদিসে উল্লেখ রয়েছে। সুতরাং, হিংসার পরিণতি হলো—দুনিয়ায় অস্থিরতা এবং আখিরাতে রিক্তহস্ত হওয়া।
মানুষের অন্তরে হিংসা সৃষ্টি হওয়ার কারণ ইসলামি ব্যাখ্যা
মানুষের অন্তরে কেন হিংসা সৃষ্টি হয়, তার চমৎকার মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা ইসলাম দিয়েছে। প্রধানত কয়েকটি কারণে অন্তরে এই বিষবৃক্ষ জন্ম নেয়:
- অহংকার: নিজেকে অন্যের চেয়ে বড় মনে করা এবং অন্যের উন্নতি মেনে নিতে না পারা।
- শত্রুতা: কারো প্রতি ব্যক্তিগত আক্রোজ বা শত্রুতা থাকলে তার ভালো কিছু দেখলে অন্তরে জ্বালা ধরে।
- পদমর্যাদার লোভ: যখন কেউ আশঙ্কা করে যে অন্য কেউ তার চেয়ে বেশি সম্মান বা পদ পেয়ে যাবে, তখন হিংসা তৈরি হয়।
- আল্লাহর ফয়সালায় অসন্তুষ্টি: আল্লাহ কেন অমুককে এত সম্পদ দিলেন, আমাকে কেন দিলেন না—এই চিন্তা থেকেই মূলত হিংসার সূত্রপাত।
হিংসা নিয়ে ইসলামিক উক্তি থেকে আত্মশুদ্ধির শিক্ষা
আত্মশুদ্ধি বা ‘তাজকিয়াতুন নফস’ ছাড়া জান্নাতে যাওয়া সম্ভব নয়। আর আত্মশুদ্ধির প্রধান শর্ত হলো অন্তরকে হিংসামুক্ত রাখা। হিংসা নিয়ে ইসলামিক উক্তি আমাদের শেখায় কীভাবে নিজেকে পরিশুদ্ধ করতে হয়। সাহাবায়ে কেরাম জান্নাতের সুসংবাদ পেয়েছিলেন কেবল তাদের স্বচ্ছ অন্তরের কারণে।
এক হাদিসে বর্ণিত আছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) এক সাহাবীকে জান্নাতি বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন। পরে জানা গেল, ওই সাহাবীর বিশেষ আমল ছিল—তিনি ঘুমানোর আগে সবাইকে মাফ করে দিতেন এবং কারো প্রতি অন্তরে হিংসা রাখতেন না। আত্মশুদ্ধির শিক্ষা হলো, অন্যের উন্নতিতে খুশি হওয়া এবং নিজের জন্য আল্লাহর কাছে কল্যাণ কামনা করা।
হিংসা ও ঈর্ষার মধ্যে পার্থক্য
| বিষয় | হিংসা (হাসাদ) – হারাম | ঈর্ষা (গিবতাহ) – বৈধ |
|---|---|---|
| সংজ্ঞা | অন্যের ভালো দেখে জ্বলে যাওয়া এবং তা ধ্বংস কামনা করা। | অন্যের ভালো দেখে নিজের জন্যও তা কামনা করা। |
| উদ্দেশ্য | অন্যের ক্ষতি ও অমঙ্গল চাওয়া। | নিজের উন্নতি ও কল্যাণ চাওয়া। |
| ফলাফল | নেক আমল ধ্বংস করে ও অশান্তি বাড়ায়। | ভালো কাজে উৎসাহ ও প্রতিযোগিতা বাড়ায়। |
হিংসা ও বিদ্বেষ সমাজে কীভাবে ধ্বংস ডেকে আনে ইসলামি দৃষ্টিতে
হিংসা কেবল ব্যক্তিগত পাপ নয়, এটি একটি সামাজিক ব্যাধি। হিংসা নিয়ে ইসলামিক উক্তি পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, সমাজের অধিকাংশ ফিতনা-ফাসাদের মূলে রয়েছে এই হিংসা। যখন এক ভাই আরেক ভাইয়ের উন্নতিতে হিংসা করে, তখন গীবত, অপবাদ এবং ষড়যন্ত্রের জন্ম হয়।
ইসলামি দৃষ্টিতে, হিংসা সমাজকে টুকরো টুকরো করে দেয়। এটি আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করে এবং প্রতিবেশীর হকে আঘাত হানে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “পূর্ববর্তী জাতিগুলোর ব্যাধি তোমাদের মধ্যে সংক্রমিত হয়েছে—তা হলো হিংসা ও বিদ্বেষ। এটি মুণ্ডনকারী; আমি বলি না যে এটি চুল মুণ্ডন করে, বরং এটি দ্বীনকে মুণ্ডন করে (ধ্বংস করে)।” অর্থাৎ, হিংসা সমাজ থেকে দ্বীনের সৌন্দর্য মুছে ফেলে।
হিংসা থেকে বাঁচার উপায়: ইসলামিক উক্তি ও করণীয় আমল
হিংসার আগুন থেকে বাঁচার জন্য ইসলাম সুনির্দিষ্ট কিছু আমল ও মানসিকতা গঠনের পরামর্শ দিয়েছে। হিংসা নিয়ে ইসলামিক উক্তি থেকে আমরা বাঁচার উপায়গুলো খুঁজে পাই:
- বেশি বেশি দোয়া করা: আল্লাহর কাছে কায়মনোবাক্যে দোয়া করা যেন তিনি অন্তরকে পবিত্র করেন।
- সালামের প্রসার: নবীজি (সা.) বলেছেন, “তোমরা কি জানো, কিসে তোমাদের ভালোবাসা বাড়াবে? নিজেদের মধ্যে সালামের প্রসার ঘটাও।” সালাম অহংকার ও হিংসা দূর করে।
- উপহার বিনিময়: একে অপরকে উপহার দিলে অন্তরের মলিনতা দূর হয় এবং ভালোবাসা সৃষ্টি হয়।
- আল্লাহর জিকির: যখনই কারো প্রতি হিংসা আসবে, তখনই আল্লাহর জিকির ও ইস্তিগফার করতে হবে।
- অন্যের জন্য দোয়া: যার প্রতি হিংসা হচ্ছে, তার উন্নতির জন্য গোপনে দোয়া করা। এটি শয়তানের চক্রান্তকে নস্যাৎ করে দেয়।
ধৈর্য, কৃতজ্ঞতা ও তাওয়াক্কুল: হিংসা দূর করার ইসলামি সমাধান
হিংসা দূর করার সবচেয়ে কার্যকরী ওষুধ হলো সবর (ধৈর্য) এবং শুকরিয়া (কৃতজ্ঞতা)। আল্লাহ যাকে যা দিয়েছেন, তাতে সন্তুষ্ট থাকার নামই কৃতজ্ঞতা। যখন কোনো মুমিন বিশ্বাস করে যে, “রিজিক দাতা একমাত্র আল্লাহ এবং তিনি যাকে ইচ্ছা বেহিসাব দান করেন”, তখন তার অন্তরে হিংসা বাসা বাঁধতে পারে না।
তাওয়াক্কুল বা আল্লাহর ওপর ভরসা মানুষকে মানসিক প্রশান্তি দেয়। অন্যের অট্টালিকা দেখে দীর্ঘশ্বাস না ফেলে, নিজের যা আছে তা নিয়ে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করলে অন্তরে প্রশান্তি আসে। ইসলামি মনীষীদের মতে, দুনিয়ার মোহ ত্যাগ করতে পারলেই হিংসা থেকে মুক্তি পাওয়া সহজ হয়।
হিংসা নিয়ে ইসলামিক উক্তি থেকে বাস্তব জীবনে গ্রহণযোগ্য শিক্ষা
আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে হিংসা নিয়ে ইসলামিক উক্তিগুলোর প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি। কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর পদোন্নতি, প্রতিবেশীর নতুন গাড়ি, কিংবা আত্মীয়ের সন্তানের ভালো রেজাল্ট দেখে আমাদের প্রতিক্রিয়া কেমন হওয়া উচিত—তা এই উক্তিগুলো নির্ধারণ করে দেয়।
বাস্তব জীবনে আমাদের উচিত প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব পরিহার করে সহযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে তোলা। হিংসা করে কারো ক্ষতি করা যায় না, বরং নিজেরই ক্ষতি হয়—এই ধ্রুব সত্যটি মেনে নিতে হবে। আমরা যদি আমাদের সন্তানদের ছোটবেলা থেকেই অন্যের ভালো দেখে খুশি হওয়ার শিক্ষা দিই, তবে ভবিষ্যতে একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গড়ে উঠবে।
লেখকের শেষ কথা: হিংসা পরিহার করে সুন্দর ইসলামি চরিত্র গঠনের আহ্বান
পরিশেষে বলা যায়, হিংসা নিয়ে ইসলামিক উক্তিগুলো আমাদের জন্য সতর্কবার্তা এবং আলোর দিশারী। হিংসা এমন এক বিষ, যা পান করে মানুষ অন্যের মৃত্যুর অপেক্ষা করে। কিন্তু এতে মৃত্যু ঘটে নিজেরই সুখ ও শান্তির। আসুন, আমরা হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে কুরআনের নির্দেশ ও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন গড়ি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হিংসামুক্ত পবিত্র অন্তর দান করুন এবং দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ নসিব করুন। আমিন।
