মাদরাসা প্রধানের জরুরি নির্দেশনা ২০২৬ অনুযায়ী পাবলিক ও শ্রেণি পরীক্ষায় শ্রুতি লেখক নীতিমালা বাস্তবায়ন বাধ্যতামূলক।
মাদরাসা প্রধানের জরুরি নির্দেশনা ২০২৬ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। এই মাদরাসা প্রধানের জরুরি নির্দেশনা ২০২৬ অনুযায়ী পাবলিক ও শ্রেণি পরীক্ষায় শ্রুতি লেখক নীতিমালা অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন দাখিল ও আলিম পর্যায়ের সব মাদরাসা প্রধানকে এ নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি অতীব জরুরি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক চিঠিতে বোর্ড জানায়, পাবলিক ও শ্রেণি পরীক্ষায় শ্রুতি লেখক নীতিমালা ২০২৫ ইতোমধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে অনুমোদন পেয়েছে। তাই নতুন শিক্ষাবর্ষে পরীক্ষার সময় কোনো ব্যত্যয় না ঘটে, সে জন্য আগাম প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।
মাদরাসা প্রধানের জরুরি নির্দেশনা ২০২৬
মাদরাসা প্রধানদের স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, যেসব শিক্ষার্থী শারীরিক বা বিশেষ চাহিদার কারণে নিজে লিখতে পারে না, তাদের জন্য শ্রুতি লেখক সেবা নিশ্চিত করতে হবে। অনুমোদিত নীতিমালা অনুযায়ী শ্রুতি লেখক নির্বাচন, দায়িত্ব বণ্টন এবং পরীক্ষার কক্ষে তদারকি করতে হবে।
এছাড়া শ্রুতি লেখকের যোগ্যতা, পরিচয় যাচাই এবং নির্ধারিত ফরম পূরণসহ সব প্রশাসনিক কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনো অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান দায়ী থাকবে।
শ্রুতি লেখক নীতিমালা শিক্ষার্থীদের সমান সুযোগ নিশ্চিত করে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীরা যাতে পাবলিক পরীক্ষায় পিছিয়ে না পড়ে, সে লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ। মাদরাসা প্রধানের জরুরি নির্দেশনা ২০২৬ বাস্তবায়ন হলে পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা আরও শক্তিশালী হবে।
মাদরাসা প্রধানের জরুরি নির্দেশনা ২০২৬ পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে বড় পদক্ষেপ। সব মাদরাসা প্রধানকে দ্রুত প্রস্তুতি নিয়ে অনুমোদিত নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। এতে শিক্ষার্থীরা সমান সুযোগ পাবে এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বজায় থাকবে।



