২০২৬ সালের শুরুতেই এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য এসেছে স্বস্তির খবর। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জানুয়ারির বেতনের জিও জারি হয়েছে, ফলে সারা দেশের প্রায় পৌনে চার লাখ শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন ও ভাতা ছাড়ের প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। এই জিও জারির কারণে সোমবার থেকেই পর্যায়ক্রমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে টাকা জমা হতে শুরু করবে। অনেক শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে এই ঘোষণার অপেক্ষায় ছিলেন, তাই এই সিদ্ধান্ত শিক্ষা অঙ্গনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে সকল তথ্য সঠিকভাবে জমা দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর বেতন আগে পাঠানো হবে। এর আগে ৩০ জানুয়ারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জানুয়ারি মাসের বেতনের প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে দ্রুত জিও জারি করা হয়, যাতে শিক্ষকদের আর্থিক ভোগান্তি কমে।
আরও পড়ুনঃ এমপিও স্কুল-কলেজ শিক্ষকের বকেয়া বেতন পেতে করণীয়
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জানুয়ারির বেতনের জিও জারি ২০২৬
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার বা EFT পদ্ধতিতে পাঠানো হচ্ছে। এজন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অনলাইনে বিল সাবমিট করার নির্দেশ দেওয়া হয়। যেসব প্রতিষ্ঠান সময়মতো সঠিক তথ্য দিয়েছে, সেসব শিক্ষকের বেতন আগে ব্যাংকে পৌঁছাবে। এই প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই অনলাইন পদ্ধতি চালু রাখা হয়েছে।
মাস: জানুয়ারি
বছর: ২০২৬
পদ্ধতি: Electronic Fund Transfer
উপকারভোগী: এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী
শুরু: জিও জারির পরপরই
মাউশি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ভুল তথ্য দেওয়ার কারণে যদি কোনো শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিওর টাকা EFT-তে পাঠানো না হয়, তবে তার সম্পূর্ণ দায়ভার প্রতিষ্ঠান প্রধানের ওপর বর্তাবে। তাই তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জানুয়ারির বেতনের জিও জারি হওয়ায় শিক্ষা খাতে আর্থিক স্থিতি কিছুটা নিশ্চিত হলো। সময়মতো বেতন পাওয়ার ফলে শিক্ষকরা আরও মনোযোগীভাবে শিক্ষাদানে যুক্ত হতে পারবেন, যা সামগ্রিকভাবে শিক্ষাব্যবস্থার জন্য ইতিবাচক।
আরও পড়ুনঃ মাউশি বিভক্তকরণে গতি ১৫ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত হবে নতুন দুই অধিদপ্তরের কর্মবণ্টন



