দীর্ঘ প্রস্তুতির পর অবশেষে শেষ হলো রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা। হাজারো স্বপ্নবাজ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে মুখরিত ছিল পরীক্ষা কেন্দ্রগুলো। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর এখন পরীক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মনে একটাই প্রশ্ন—কবে প্রকাশিত হবে রুয়েট ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল ২০২৬?
ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার স্বপ্ন নিয়ে যারা এই কঠিন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন, তাদের জন্য আজকের এই আর্টিকেলটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে আমরা আলোচনা করব ফলাফলের সম্ভাব্য তারিখ, অনলাইনে রেজাল্ট দেখার সঠিক নিয়ম, আসন সংখ্যা এবং ফলাফল পরবর্তী করণীয় নিয়ে। আপনি যদি একজন পরীক্ষার্থী হয়ে থাকেন, তবে এই গাইডলাইনটি আপনার দুশ্চিন্তা কমিয়ে পরবর্তী ধাপের জন্য প্রস্তুত হতে সাহায্য করবে।
রুয়েট ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল ২০২৬ কবে দিবে?
ভর্তি পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফলাফলের জন্য অধীর আগ্রহ কাজ করাটাই স্বাভাবিক। ২২ জানুয়ারি, ২০২৬ রোজ বৃহস্পতিবার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবারের ভর্তি পরীক্ষা। পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন এবং যাচাই-বাছাই শেষে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ফলাফল প্রকাশ করে থাকে।
রুয়েট সূত্রে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, রুয়েট ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল ২০২৬ প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬। সাধারণত ভর্তি পরীক্ষার ২ থেকে ৩ সপ্তাহের মধ্যে ফলাফল প্রস্তুত করা হয়। তবে এটি একটি সম্ভাব্য তারিখ, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যেকোনো অনিবার্য কারণে এই তারিখ পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখে। তাই পরীক্ষার্থীদের নিয়মিত রুয়েটের অফিসিয়াল নোটিশ বোর্ডে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
অনলাইনে রুয়েট ফলাফল দেখার নিয়ম
ডিজিটাল যুগে ফলাফল দেখার জন্য এখন আর নোটিশ বোর্ডের সামনে ভিড় করার প্রয়োজন নেই। ঘরে বসেই খুব সহজে আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। তবে অনেকেই সঠিক ওয়েবসাইট বা নিয়ম না জানার কারণে বিড়ম্বনায় পড়েন।
নিচে ধাপে ধাপে রুয়েট ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল ২০২৬ দেখার নিয়ম আলোচনা করা হলো:
১. অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ: প্রথমে আপনার মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে রুয়েটের ভর্তি বিষয়ক অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (admission.ruet.ac.bd) ভিজিট করুন।
২. নোটিশ বোর্ড চেক করুন: ওয়েবসাইটের হোমপেজে ‘Admission Result 2025-26’ বা এই জাতীয় একটি নোটিশ দেখতে পাবেন। সেখানে ক্লিক করুন।
৩. রোল নম্বর প্রদান: নির্ধারিত বক্সে আপনার ভর্তি পরীক্ষার রোল নম্বরটি (Roll Number) সঠিকভাবে ইংরেজিতে লিখুন।
৪. ফলাফল দেখুন: ‘Submit’ বা ‘Check Result’ বাটনে ক্লিক করুন।
৫. ডাউনলোড ও প্রিন্ট: স্ক্রিনে আপনার নাম, মেরিট পজিশন এবং প্রাপ্ত বিভাগ (যদি এলিজিবল হন) দেখা যাবে। ভবিষ্যতের প্রয়োজনে ফলাফলটি পিডিএফ আকারে ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে রাখুন।
এসএমএস-এর মাধ্যমে ফলাফল দেখার উপায়
অনেক সময় সার্ভার ব্যস্ত থাকার কারণে ওয়েবসাইট লোড হতে দেরি হতে পারে। সেক্ষেত্রে রুয়েট কর্তৃপক্ষ যদি এসএমএস-এর মাধ্যমে ফলাফল দেখার সুযোগ দেয়, তবে টেলিটক সিমের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফরম্যাটে মেসেজ পাঠিয়েও রেজাল্ট জানা যাবে। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা ফলাফল প্রকাশের দিন জানিয়ে দেওয়া হবে।
২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার পরিসংখ্যান ও তথ্য
এবারের রুয়েট ভর্তি পরীক্ষা বেশ কিছু কারণে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে এবং সুবিধার্থে এবারই প্রথম রুয়েট ক্যাম্পাসের পাশাপাশি ঢাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ক্যাম্পাসেও পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছিল।
নিচে এবারের ভর্তি পরীক্ষার কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান তুলে ধরা হলো:
- পরীক্ষার তারিখ: ২২ জানুয়ারি ২০২৬, বৃহস্পতিবার।
- পরীক্ষার সময়: ‘ক’ গ্রুপ (সকাল ৯:৩০ – দুপুর ১২:০০) এবং ‘খ’ গ্রুপ (অতিরিক্ত পরীক্ষা দুপুর ১২:১৫ – ১:১৫)।
- মোট আবেদনকারী: ১৮,২৭৭ জন।
- মোট আসন সংখ্যা: ১,২৩৫টি (সংরক্ষিত ৫টিসহ মোট ১,২৪০টি)।
- পরীক্ষা কেন্দ্র: রুয়েট (রাজশাহী) এবং বুয়েট (ঢাকা)।
বুয়েট কেন্দ্রে প্রায় ৯,৮০০ জন এবং রুয়েট কেন্দ্রে ৮,৪৭৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এই বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর মধ্যে থেকে সেরাদের সেরা ১,২৩৫ জন শিক্ষার্থী রুয়েটে পড়ার সুযোগ পাবেন। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে, প্রতিযোগিতা কতটা তীব্র হয়েছে এবং রুয়েট ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল ২০২৬ নিয়ে সবার আগ্রহ কেন এত বেশি।
বিভাগভিত্তি আসন বিন্যাস ও বিস্তারিত
রুয়েটে পড়ার স্বপ্ন যাদের, তাদের অবশ্যই জানতে হবে কোন বিভাগে কতটি আসন রয়েছে। এবারের ভর্তি পরীক্ষায় ১৪টি বিভাগের অধীনে মোট ১,২৩৫টি সাধারণ আসন রয়েছে। এছাড়া সংরক্ষিত কোটায় ৫টি আসন বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে নিচে একটি টেবিলের মাধ্যমে বিভাগভিত্তিক আসন সংখ্যা তুলে ধরা হলো:
| ক্রমিক | বিভাগের নাম | আসন সংখ্যা |
| ১ | সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং (CE) | ১৮০ |
| ২ | ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE) | ১৮০ |
| ৩ | মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (ME) | ১৮০ |
| ৪ | কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (CSE) | ১৮০ |
| ৫ | ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ETE) | ৬০ |
| ৬ | আরবান অ্যান্ড রিজিওনাল প্লানিং (URP) | ৬০ |
| ৭ | আর্কিটেকচার (Architecture) | ৩০ |
| ৮ | বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন ম্যানেজমেন্ট (BECM) | ৩০ |
| ৯ | ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং (ECE) | ৬০ |
| ১০ | ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং (IPE) | ৬০ |
| ১১ | সিরামিক অ্যান্ড মেটালার্জিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (GCE) | ৬০ |
| ১২ | মেকাট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং (MTE) | ৬০ |
| ১৩ | কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (ChE) | ৩০ |
| ১৪ | ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (MSE) | ৬০ |
| মোট | সাধারণ আসন | ১,২৩৫ |
সংরক্ষিত আসন:
- বান্দরবান জেলার অধিবাসী: ১টি
- পার্বত্য জেলা ও অন্যান্য এলাকার উপজাতি/নৃগোষ্ঠী: ৪টি
- সর্বমোট আসন: ১,২৩০ + ৫ = ১,২৪০ (প্রায়)
আপনার কাঙ্ক্ষিত বিভাগ কোনটি? ফলাফলের পর মেরিট পজিশন অনুযায়ী চয়েস ফর্ম পূরণ করার সময় এই তালিকাটি আপনাকে সাহায্য করবে।
ভর্তি পরীক্ষার ধরণ ও মূল্যায়ন পদ্ধতি
ফলাফল বোঝার আগে পরীক্ষার ধরণটি মনে করা জরুরি। এবারের পরীক্ষা দুটি গ্রুপে অনুষ্ঠিত হয়েছে: ‘ক’ গ্রুপ এবং ‘খ’ গ্রুপ।
- ‘ক’ গ্রুপ: ইঞ্জিনিয়ারিং ও প্ল্যানিং অনুষদের বিভাগগুলোর জন্য। এই গ্রুপের পরীক্ষা হয়েছে সকাল ৯:৩০ থেকে দুপুর ১২:০০টা পর্যন্ত।
- ‘খ’ গ্রুপ: ইঞ্জিনিয়ারিং, প্ল্যানিং এবং আর্কিটেকচার বিভাগগুলোর জন্য। এই গ্রুপের শিক্ষার্থীদের ‘ক’ গ্রুপের পরীক্ষার পর অতিরিক্ত ১ ঘণ্টা (দুপুর ১২:১৫ থেকে ১:১৫) মুক্তহস্ত অঙ্কন এবং দৃষ্টিগত ও স্থানিক ধীশক্তি মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়েছে। এই অংশের জন্য ২০০ নম্বর বরাদ্দ ছিল।
রুয়েট ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল ২০২৬ তৈরির সময় ‘ক’ গ্রুপের প্রাপ্ত নম্বর এবং ‘খ’ গ্রুপের শিক্ষার্থীদের উভয় অংশের প্রাপ্ত নম্বর যোগ করে পৃথক মেধা তালিকা প্রকাশ করা হবে। আর্কিটেকচার বিভাগে ভর্তি হতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের অবশ্যই ড্রইং অংশে পাস করতে হবে।
মেধা তালিকা ও ওয়েটিং লিস্ট বা অপেক্ষমান তালিকা
ফলাফল প্রকাশের দিন সাধারণত দুটি তালিকা প্রকাশ করা হয়:
১. মূল মেধা তালিকা (Merit List): যারা সরাসরি ভর্তির সুযোগ পাবেন। আসন সংখ্যা অনুযায়ী প্রথম ১ থেকে ১,২৩৫ তম (কোটা বাদে) পজিশন পর্যন্ত।
২. অপেক্ষমান তালিকা (Waiting List): মূল মেধা তালিকা থেকে কেউ ভর্তি না হলে এই তালিকা থেকে পর্যায়ক্রমে ডাকা হয়।
রুয়েটের মতো শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণত ওয়েটিং লিস্ট থেকেও অনেকে ভর্তির সুযোগ পান। কারণ, অনেক শিক্ষার্থী বুয়েট, কুয়েট বা চুয়েটে সুযোগ পেলে সেখানে চলে যান। তাই আপনার নাম যদি মূল তালিকায় নাও থাকে, হতাশ হবেন না। ওয়েটিং লিস্টের দিকে নজর রাখুন।
ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
রুয়েট ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল ২০২৬ প্রকাশের পর যারা ভর্তির সুযোগ পাবেন, তাদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। ভর্তির সময় নিচের কাগজপত্রগুলো প্রস্তুত রাখা অত্যন্ত জরুরি:
- এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার মূল মার্কশিট ও সার্টিফিকেট।
- এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার প্রশংসাপত্র (Testimonial)।
- ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র (Admit Card)।
- সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি (ল্যাব প্রিন্ট)।
- নাগরিকত্ব সনদ বা জন্ম নিবন্ধন পত্র।
- কোটা থাকলে তার স্বপক্ষে উপযুক্ত প্রমাণপত্র।
এই কাগজগুলো আগে থেকেই গুছিয়ে রাখলে ভর্তির সময় তাড়াহুড়ো বা ঝামেলায় পড়তে হবে না।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
শিক্ষার্থীদের মনে ফলাফল নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকে। এখানে কিছু কমন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হলো:
১. রুয়েট ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল ২০২৬ কবে দিবে?
উত্তর: রুয়েট সূত্রমতে, ফলাফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
২. আমি কিভাবে আমার মেরিট পজিশন জানব?
উত্তর: রুয়েটের ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট (admission.ruet.ac.bd) থেকে রোল নম্বর দিয়ে লগইন করলে আপনি আপনার মেরিট পজিশন জানতে পারবেন।
৩. রুয়েটে মোট আসন সংখ্যা কত?
উত্তর: রুয়েটে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ১,২৩৫টি এবং সংরক্ষিত কোটায় ৫টি আসন রয়েছে।
৪. ওয়েটিং লিস্ট থেকে কি ভর্তির সুযোগ পাওয়া যায়?
উত্তর: হ্যাঁ, মূল মেধা তালিকার কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি না হলে আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে ওয়েটিং লিস্ট থেকে শিক্ষার্থীদের ডাকা হয়।
৫. আর্কিটেকচার বিভাগে ভর্তির শর্ত কী?
উত্তর: আর্কিটেকচার বিভাগে ভর্তির জন্য ‘খ’ গ্রুপের পরীক্ষায় অংশ নিতে হয় এবং অতিরিক্ত মুক্তহস্ত অঙ্কন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়।
শিক্ষাজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা। রুয়েট ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল ২০২৬ আপনার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। যারা কৃতকার্য হবেন, তাদের জন্য রইল অগ্রিম অভিনন্দন। আর যারা কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাবেন না, তাদের মনে রাখতে হবে—একটি পরীক্ষাই জীবনের সব কিছু নয়। সামনে আরও অনেক সুযোগ অপেক্ষা করছে।
আপাতত ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধৈর্য ধরুন এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুছিয়ে রাখুন। ফলাফলের সর্বশেষ আপডেট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটের সাথেই থাকুন। শুভকামনা রইল সকল পরীক্ষার্থীর জন্য।
(নোটঃ এই আর্টিকেলের তথ্যগুলো রুয়েটের সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তি ও সংবাদের ভিত্তিতে তৈরি। ফলাফল প্রকাশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উপর নির্ভরশীল।)
